Blog

মেসি-ফাতি জুটিতে স্বস্তির জয় বার্সেলোনার

0

স্প্যানিশ লা লীগার ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে লেভান্তেকে ২-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে কিকে সেতিয়েনের দল। এই জয়ে লীগ লিডার রিয়াল মাদ্রিদের সাথে পয়েন্টের ব্যবধান ৩ এ নামিয়ে আনলো কাতালানরা।

                                                                                                                                                                             

ম্যাচের ত্রয়োদশ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি মেসি। চার মিনিট পর ডি-বক্সের মুখে বল পেয়ে দুর্বল শট নেন আর্জেন্টাইন তারকা। কিছুক্ষন পর গোলরক্ষককে একা পেয়ে গ্রিজমানও ব্যর্থ হলে হতাশা বাড়ে বার্সেলোনার।

২৯তম মিনিটে ডি-বক্সে বল পেয়ে একজনকে কাটিয়ে বাঁ পায়ে জোরালো শট নেন মেসি। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।

প্রবল চাপ তৈরি করা বার্সেলোনা পরপর দুই মিনিটে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

৩০তম মিনিটে মেসির থ্রু পাস ধরে ডি-বক্সের মুখ থেকে নিচু শটে আগুয়ান গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন ফাতি। পরের মিনিটে মেসির বাড়ানো বল ডি-বক্সে পেয়ে কোনাকুনি শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অরক্ষিত তরুণ স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। বল গোলরক্ষকের পায়ে লেগে জালে জড়ায়।

৩৬তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো। কিন্তু একজনকে কাটিয়ে নেলসন সেমেদোর নেওয়া জোরালো শট ক্রসবারে বাধা পায়।

দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে ফাতিকে রুখতে পোস্ট ছেড়ে আবারও বেরিয়ে যান গোলরক্ষক। বল পেয়ে বার্সেলোনা অধিনায়কের নেওয়া দুর্বল শট ফেরান ডিফেন্ডার পোস্তিগো। পরের মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ডি-বক্সে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে উড়িয়ে মারেন লেভান্তের উইঙ্গার রোচিনা।

৭৩তম মিনিটে দুজনকে কাটিয়ে সামনে এগিয়ে ছোট ডি-বক্সের মুখ থেকে গোলরক্ষক বরাবর শট নেন মেসি।

যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আচমকা গোল খেয়ে বসে বার্সেলোনা। রোচিনার দূরপাল্লার শটে তেমন কোনো হুমকি ছিল না, কিন্তু গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেনের হাতে লেগে বল চলে যায় জালে।

২২ ম্যাচে ১৪ জয় ও সাত ড্রয়ে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১৪ জয় ও তিন ড্রয়ে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে শিরোপাধারী বার্সেলোনা।

ছোট পর্দায় আলো ছড়াচ্ছেন ঢাবির আদনান

0

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদনান সানি ওরফে এডন এখন যেন গোটা দেশের সম্পদে পরিণত হয়েছেন। দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই বিনোদন জগতে নিজের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই উঠতি তারকা।

                                                                                                                                                                             

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ ডিপার্টমেন্ট ছাড়াও শত জনের পরিচিত মুখ আদনান সানি। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৪র্থ বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী। পড়াশুনার পাশাপাশি তার অভিনয়ের প্রতি প্রচুর আগ্রহ রয়েছে।

নিজ অনুষদের অনুষ্ঠান গুলোয় অভিনয় করেই মূলত বিনোদনের জগতে তার পা বাড়ানো।

নিজের প্রবল আগ্রহ এবং চেষ্টায় সে টিভি ও ইউটিউবের লাল পর্দায় জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছে। টিভির পর্দায় তার পথচলার শুরুটা ছিলো বেশ চমকপ্রদ। প্রথম দফাতেই তাহসান এবং বিদ্যা সিনহা মীমের সাথে প্রিয় ভালোবাসা নামক নাটকে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত এই নাটকটি মুক্তি পাবে আসছে ভালোবাসা দিবসেই!

এছাড়াও তার আরও দুইটি নাটক ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। Faw Girl এবং Makeup Girl নামক নাটক দুটিতে তিনি সাফা কবির এবং তৌসিফ মাহমুদের মতো তারকাদের সাথে অভিনয় করেছেন।

তৌসিফ মাহমুদ এবং সিয়ামের সাথে আদনান সানি।

ছোট পর্দায় নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলতে গিয়ে আদনান আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, “আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, আমি যেন আগামীতে আরো ভালো কাজ করে নিজের শখ পূরণসহ দর্শকদের আনন্দ দিতে পারি এবং সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও উজ্জ্বল করতে পারি।”

এছাড়াও তানজিন তিশা অভিনীত ওসমান মিরাজ পরিচালিত একটি নাটকে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

আদনান বন্ধু-বান্ধব এবং তার সকল শুভানুধ্যায়ীদের কাছে অনুরোধ করেছেন, যেন সবাই তার নাটক গুলো দেখেন। তার বিশ্বাস এই ছোট প্রয়াস থেকে সে একদিন অচিরেই বড় কিছু নিয়ে হাজির হবে।

৯০ হাজার প্রাণীর জীবন বাঁচালো একটি পরিবার

0

সেপ্টেম্বর থেকে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়া। সেখানে এখন পর্যন্ত স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি ও সরীসৃপ প্রজাতির অন্তত ৫০ কোটি প্রাণীর প্রাণ গেছে। তবে এমন হৃদয় বিদারক ঘটনার মধ্যেও একটু স্বস্তির খবর হলো ৯০ হাজারেরও বেশি বন্যপ্রাণীকে উদ্ধার ও চিকিৎসা দিয়েছেন একটি পরিবার। এ কাজের জন্য বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে তারা।

                                                                                                                                                                             

অস্ট্রেলীয় টেলিভিশন উপস্থাপক স্টিভ আরউইন মূলত বন্যপ্রাণীর সেবা করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পরও সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে তার পরিবার। স্টিভের মেয়ে বিন্দি আরউইন ও পরিবারের অন্যরা মিলে অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলে বহু বন্যপ্রাণীর জীবন বাঁচিয়েছেন এবং চিকিৎসা দিয়েছেন। সে বন্যপ্রাণীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৯০ হাজারেরও বেশি।

আরউইন পরিবার পরিচালিত ওয়াইল্ডলাইফ হাসপাতালের ৯০ হাজারতম রোগী ছিল একটি প্লাটিপাস। স্টিভ আরউইনের সন্তান রবার্ট আরউইন বৃহস্পতিবার এক ইন্সট্রাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন, অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ ও বণ্যপ্রাণীদের জন্য আমার হৃদয় কাঁদছে।’

বিন্দি আরউইন জানিয়েছেন, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে তাদের বণ্যপ্রাণী হাসপাতালটি দাবানলের সময়ে বেশি ব্যস্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, বাবা-মা অস্ট্রেলিয়া জু ওয়াইল্ডলাইফ হাসপাতালটি আমার দাদীকে উৎসর্গ করেছেন। বন্যপ্রাণীর জীবন বাঁচিয়ে ও তাদের সেবা করেই আমরা দাদীর প্রতি সম্মান জানাবো।

কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে ‘অস্ট্রেলিয়া জু’ নামে একটি চিড়িয়াখানা পরিচালনা করে থাকে আরউইন পরিবার। সুখের বিষয়, এক হাজার একরেরও বেশি জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই চিড়িয়াখানাটি দাবানলে আক্রান্ত হয়নি।

মাত্র ৯৫ টাকায় ইতালিতে বাড়ির মালিক হবেন যেভাবে

0

অন্যসব দ্রব্যপণ্যের মতো সময়ে সময়ে হুঁ হুঁ করে বেড়েছে জায়গা-জমির দামও। দেশের বেশিরভাগ মানুষই এখন শহরমুখী। সবারই স্বপ্ন শহরে বাড়ি তৈরি করার দিকে। তবে সেখানকার জমির মূল্য অনেক বেশি। বিশেষত ঢাকা শহরে জমি খুঁজে পাওয়াটা রীতিমতো সোনার হরিণের মতোই। কিন্তু কেমন হয় যদি মাত্র ৯৫ টাকা খরচ করে ইতালির মতো দেশে জমি পাওয়া যায়?

                                                                                                                                                                             

ভুল পড়েননি। সত্যি সত্যিই দেশটির সরকার এমন সুযোগ করে দিচ্ছে সবাইকে। মাত্র ১ ইউরো বা ৯৫ টাকা খরচেই দেশটিতে বলতে গেলে একটি বাড়িই পাওয়া যাচ্ছে। আসলে অন্যসব দেশের মতো ইতালির মানুষও বর্তমানে শহরমুখী হয়ে যাচ্ছেন। এতে করে গ্রামাঞ্চলের অনেক বাড়িঘর ফাঁকা-পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে। দেশটির সরকার সেসব এলাকায় জনবসতি ফেরাতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে।

তবে জমিগুলো পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ শর্তও মানতে হবে। সেটা হলো বাড়িটি কিনার তিন বছরের মধ্যেই আপনাকে সেটার সংস্কার করতে হবে। বাড়িগুলো কেনার সময় আপনাকে পাঁচ হাজার ইউরো (চার লক্ষ সাঁয়ত্রিশ হাজার উনচল্লিশ টাকা) জামানতে রাখতে হবে। এটি বাড়িগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে জমা দিতে হবে। তবে একবার বাড়িটি সংস্কার হয়ে গেলে আপনি জামানতে রাখা টাকাগুলো ফেরত পেয়ে যাবেন।

মেয়ের গায়ে হলুদে দেড় হাজার গার্মেন্টস শ্রমিককে দাওয়াত করা এই সেই আবু তৈয়ব সাহেব

0

চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলের শিল্পঘন একটি কারখানা। প্রতিদিনই সেলাই মেশিনের টুকটাক শব্দ, গাড়ির হর্ন, শ্রমিকদের হাঁক ডাক- সবমিলিয়ে জমজমাট থাকে পুরো এলাকা। পথচারী কিংবা আশেপাশের লোকজন অভ্যস্ত গার্মেন্টস কারখানার পরিবেশে।

                                                                                                                                                                             

কিন্তু ২ জানুয়ারি ২০২০ বৃহস্পতিবার সকালে চারদিকে ছিল সুনসান নিরবতা। শ্রমিকরা কাজে আসেননি। কোনো হৈ চৈ নেই। এত বেলা তবুও আসছে না কেন কেউ? মে দিবস বা কোনো সরকারি ছুটি নেই? কিন্তু তবুও তারা আসছে না কেন? তবে বেলা কিছুটা বাড়ার পর দলে দলে কারখানায় আসতে লাগলেন শ্রমিকরা। কিন্তু এই কী- সবাই হলুদ শাড়ি পড়ে আসছেন কেন? খোঁপায় এত ফুলই-বা কেন লাগিয়েছেন গার্মেন্টস কর্মীরা। কিছুই যেন বুঝে উঠেতে পারছিলেন না আশপাশের লোকজন, দোকানদার কিংবা অন্যান্য কারখানার লোকজন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ছিল কারখানা মালিকের একমাত্র কন্যার গায়ে হলুদ। আর গায়ে হলুদের পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হবে গার্মেন্টস কন্যাদের দ্বারা। সত্যি সত্যি তাই হলো চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট গার্মেন্টসে।

কোম্পানির মালিক, খ্যাতনামা গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী নেতা এবং নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি এস এম আবু তৈয়ব নিজের একমাত্র কন্যার গায়ে হলুদ করেছেন গার্মেন্টসের দেড় হাজার নারী শ্রমিকের সাথে। কারখানার সব নারী শ্রমিককেই তিনি দিয়েছেন হলুদ শাড়ি। যেই শাড়িটি তিনি নিজের স্ত্রী ও স্বজনদের জন্য কিনেছেন ঠিক একই শাড়ি কিনেছেন কারখানার দেড় হাজার শ্রমিকের জন্য। পুত্রসহ নিজে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যেই পাঞ্জাবি পরেছেন ঠিক একই পাঞ্জাবি দিয়েছেন গার্মেন্টসের পুরুষ শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের।

চট্টগ্রাম ক্লাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে যেই বাবুর্চি রান্না করবেন, তাকে দিয়েই একই ম্যানুর রান্না পরিবেশিত হয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে। নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট গার্মেন্টস কারখানার সব শাখায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল গতকাল। ছাদের উপর মঞ্চ করে আয়োজন করা হয় মালিক কন্যার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। পুরো ছাদ জুড়ে ছিলেন শত শত নারী। সবই গার্মেন্টস কন্যা। সবার পরনে একই শাড়ি। ব্যবসায়ী আবু তৈয়বের স্ত্রী উলফাতুন্নেছা পুতুলও একই শাড়ি পরে এসেছিলেন অনুষ্ঠানে।

এই দম্পতির একমাত্র কন্যা সাইকা তাফাননুম প্রীতির গায়ে হলুদ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারদিকে যেন ছড়িয়ে পড়েছিল উচ্ছ্বাস। গার্মেন্টস কন্যারা সবাই হলুদ বাটো, মেন্দি বাটো…. এবং লীলাবালি লীলাবালি….সাজাইবো তোরে, গানের তালে তালে যেভাবে সুন্দর করে নাচছিলেন, যে কেউ হয়তো বলবে- তাদের কোনো সখী অথবা বোনের বিয়ে হচ্ছে। এস এম আবু তৈয়বের একমাত্র কন্যা প্রীতির বিয়ে হচ্ছে ঢাকার বারিধারার আসলাম মোল্লা ও রুবিনা মোল্লার পুত্র শফিউল ইসলাম মোল্লা (নিলয়)এর সাথে।

৫ জানুয়ারি নগরীর নেভি কনভেনশন সেন্টারে এই বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিয়ে অনুষ্ঠানের আগে গতকাল দেড় হাজার গার্মেন্টস কন্যাকে নিয়ে প্রীতির গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান করা হয়। এতে গার্মেন্টস কন্যাদের সরব অংশগ্রহণ পুরো অনুষ্ঠানটিকে দিয়েছে আলাদা একটি সৌন্দর্য। তবে সবকিছু ছাপিয়ে সবার ভালোবাসায় সিক্ত হলেন প্রীতি। গার্মেন্টস কন্যারা কেউ পঞ্চাশ টাকা, কেউ বিশ টাকা, কেউবা একশ, টাকা চাঁদা দিয়ে নিজেদের মতো করে প্রীতিকে চমৎকার এক সেট স্বর্ণের গহনা উপহার দিয়েছেন। প্রায় দেড় লাখ টাকা দিয়ে কেনা সেই গহনা গার্মেন্টস কন্যারাই পরিয়ে দিয়েছেন মালিক কন্যার গায়ে।

নিজের একমাত্র কন্যার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান গার্মেন্টসের ছাদে গার্মেন্টস কন্যাদের দিয়ে করানোর এই বিরল আয়োজনে ব্যাপারে এস এম আবু তৈয়ব বলেন, এটা প্রচারের জন্য নয়। গার্মেন্টস কারখানার এই খেটে খাওয়া শ্রমিকদের প্রচুর ভূমিকা রয়েছে আমার জন্য, আমার কন্যার জন্য, পুরো পরিবারের জন্য। এরাইতো রক্ত ঘাম দিয়ে আমাকে এই অবস্থানে এনেছেন। আমার সন্তানকে একটি মর্যাদার আসন দিয়েছেন। আমি মনে করি, এরা আমার পরিবারের অংশ। তাই মেয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানটি আমি তাদের সাথে করেছি।

###চট্টগ্রামে মালিকের কন্যার গায়ে হলুদে দাওয়াত পেলেন তার কারখানার ১৫০০ শ্রমিক <3 যে শাড়িটি তিনি নিজের স্ত্রী ও স্বজনদের জন্য কিনেছেন,ঠিক একই শাড়ি কিনেছেন কারখানার দেড় হাজার শ্রমিকের জন্য।

মালিকের মেয়ের গায়ে হলুদে দাওয়াত পেলেন দেড় হাজার শ্রমিক

0

কারখানা মালিকের একমাত্র কন্যার গায়েহলুদ। আর গায়েহলুদের পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হবে গার্মেন্টস কন্যাদের দ্বারা। সত্যি সত্যি তাই হলো চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট গার্মেন্টসে।

                                                                                                                                                                             

কোম্পানির মালিক, খ্যাতনামা গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী নেতা এবং নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি এস এম আবু তৈয়ব নিজের একমাত্র কন্যার গায়েহলুদের ব্যবস্থা করেছেন গার্মেন্টসের দেড় হাজার নারী শ্রমিকের সঙ্গে নিয়ে।
কোম্পানির মালিক, খ্যাতনামা গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী নেতা এবং নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি এস এম আবু তৈয়ব নিজের একমাত্র কন্যার গায়েহলুদের ব্যবস্থা করেছেন গার্মেন্টসের দেড় হাজার নারী শ্রমিকের সঙ্গে নিয়ে।

কারখানার সব নারী শ্রমিককেই তিনি দিয়েছেন হলুদ শাড়ি। যে শাড়িটি তিনি নিজের স্ত্রী ও স্বজনদের জন্য কিনেছেন, ঠিক একই শাড়ি কিনেছেন কারখানার দেড় হাজার শ্রমিকের জন্য। পুত্রসহ নিজে গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে যে পাঞ্জাবি পরেছেন, ঠিক একই পাঞ্জাবি দিয়েছেন গার্মেন্টসের পুরুষ শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের।
কারখানার সব নারী শ্রমিককেই তিনি দিয়েছেন হলুদ শাড়ি। যে শাড়িটি তিনি নিজের স্ত্রী ও স্বজনদের জন্য কিনেছেন, ঠিক একই শাড়ি কিনেছেন কারখানার দেড় হাজার শ্রমিকের জন্য। পুত্রসহ নিজে গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে যে পাঞ্জাবি পরেছেন, ঠিক একই পাঞ্জাবি দিয়েছেন গার্মেন্টসের পুরুষ শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের।

দেখুন ভিডিওতে…

চট্টগ্রাম ক্লাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে যেই বাবুর্চি রান্না করবেন, তাকে দিয়েই একই মেন্যুর রান্না পরিবেশিত হয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট গার্মেন্টস কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গায়েহলুদ উপলক্ষে গতকাল কারখানার সব শাখায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম ক্লাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে যেই বাবুর্চি রান্না করবেন, তাকে দিয়েই একই মেন্যুর রান্না পরিবেশিত হয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট গার্মেন্টস কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গায়েহলুদ উপলক্ষে গতকাল কারখানার সব শাখায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

গার্মেন্টসের ছাদের ওপর মঞ্চ করে আয়োজন করা হয় মালিককন্যার গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। পুরো ছাদ জুড়ে ছিলেন শত শত নারী। সাবই গার্মেন্টস কন্যা। সবার পরনে একই শাড়ি। ব্যবসায়ী আবু তৈয়বের স্ত্রী উলফাতুন্নেছা পুতুলও একই শাড়ি পরে এসেছিলেন অনুষ্ঠানে।
গার্মেন্টসের ছাদের ওপর মঞ্চ করে আয়োজন করা হয় মালিককন্যার গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। পুরো ছাদ জুড়ে ছিলেন শত শত নারী। সাবই গার্মেন্টস কন্যা। সবার পরনে একই শাড়ি। ব্যবসায়ী আবু তৈয়বের স্ত্রী উলফাতুন্নেছা পুতুলও একই শাড়ি পরে এসেছিলেন অনুষ্ঠানে।

এই দম্পতির একমাত্র কন্যা সাইকা তাফাননুম প্রীতির গায়েহলুদ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারদিকে যেন ছড়িয়ে পড়েছিল উচ্ছ্বাস।
এই দম্পতির একমাত্র কন্যা সাইকা তাফাননুম প্রীতির গায়েহলুদ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারদিকে যেন ছড়িয়ে পড়েছিল উচ্ছ্বাস।

গার্মেন্টস কন্যারা সবাই ‘হলুদ বাটো, মেন্দি বাটো’, ‘লীলাবালি লীলাবালিৃ সাজাইবো তোরে’ গানের তালে তালে যেভাবে সুন্দর করে নাচছিলেন, যে কেউ হয়তো বলবে তাদের কোনো সখী অথবা বোনের বিয়ে হচ্ছে।
গার্মেন্টস কন্যারা সবাই ‘হলুদ বাটো, মেন্দি বাটো’, ‘লীলাবালি লীলাবালিৃ সাজাইবো তোরে’ গানের তালে তালে যেভাবে সুন্দর করে নাচছিলেন, যে কেউ হয়তো বলবে তাদের কোনো সখী অথবা বোনের বিয়ে হচ্ছে।

এস এম আবু তৈয়বের একমাত্র কন্যা প্রীতির বিয়ে হচ্ছে ঢাকার বারিধারার আসলাম মোল্লা ও রুবিনা মোল্লার পুত্র শফিউল ইসলাম মোল্লার (নিলয়) সঙ্গে।
এস এম আবু তৈয়বের একমাত্র কন্যা প্রীতির বিয়ে হচ্ছে ঢাকার বারিধারার আসলাম মোল্লা ও রুবিনা মোল্লার পুত্র শফিউল ইসলাম মোল্লার (নিলয়) সঙ্গে।

সুত্র: জাগো নিউজ

বিকাল থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত চা বিক্রি করা বিশাল পেল জিপিএ-৫

0
বাবার চায়ের দোকানে বিশাল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের পাশে বৌ বাজার এলাকায় ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। যেখানে বাবাকে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সময় দেয় বিশাল মিয়া। সুযোগ পেলে দিনের বেলা কিংবা দোকান থেকে ফেরার পর একটু পড়তো। আর সে পড়াতেই দরিদ্রতা জয় করে বিশাল এবার পিইসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে।

                                                                                                                                                                             

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের সাহেরা গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সে পিইসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার এই ফলাফলে অনেকেই অবাক হয়েছেন। গর্ববোধ করছেন বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরাও।

বিশালের বাবা মো. লিয়াকত মিয়া জানান, তাদের গ্রামের বাড়ির জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামে। থাকেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের মৌড়াইল এলাকায়। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সংসার। বাড়ি ভাড়া, তিন সন্তানের পড়াশোনার খরচসহ অন্যান্য সাংসারিক ব্যয় মেটানো হয় চা বিক্রি আয় থেকে। আগে বড় ছেলে ইভান দোকানে থাকতো। কয়েক বছর ধরে সাথে থাকেন বিশাল।

তিনি আরও জানান, বড় ছেলে ইভান মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ইসলামপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র। মেয়ে তারিন আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।

বিশাল মিয়া জানান, মা কুলসুম বেগম স্কুলে আসা যাওয়া ও পড়ালেখার ব্যাপারে বেশি উৎসাহ দেন। এছাড়া স্কুলের সব শিক্ষকরাও উৎসাহ জুগিয়েছেন ও সহযোগিতা করেছে। বিশাল মিয়া আরও জানায় প্রায় চার বছর ধরেই তার বাবার সাথে এই কাজে সহযোগিতা করে আসছেন। রাত ১১ /১২ পর্যন্ত চলে তাদের দোকানে চা বিক্রি। দোকান থেকে মালামাল আনা, চা বানানো, ক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা রাখাসহ সকল কাজই করত সে। ফলাফল পাওয়ায় পর সে বেশ খুশি।

বিশালের পিইসির ফলাফল বিবরণী থেকে দেখা যায়, সে ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতেই এ প্লাস পেয়েছে। বাংলায় ৮৫, ইংরেজিতে ৮৭, গণিতে ৮০, সমাজ বিজ্ঞানে ৯০, সাধারণ বিজ্ঞানে ৯১ ও ধর্মে ৯৬ নম্বর।

এই ব্যাপারে সাহেরা গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন খান জানান, বিশাল ছেলেটি খুব মেধাবী ও পরিশ্রমী। পরিশ্রম করে বাবার সঙ্গে কাজ করে এতদূর লোক এসেছে ছেলেটি। দরিদ্রতা তাকে আটকে রাখতে পারেনি। সে জীবনে অনেক ভালো করবে।

আজ বছরের দীর্ঘতম রাত

0

আজ ২১ ডিসেম্বর, শনিবার বছরের দীর্ঘতম রাত। অন্যদিকে আগামীকাল রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দিনটি হবে ক্ষুদ্রতম। এটি অবশ্য উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে ঘটবে। তবে বিপরীত অবস্থা থাকবে দক্ষিণ গোলার্ধে। সেখানে একই সময় হবে দীর্ঘতম দিন।

                                                                                                                                                                             

২১ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করায় এবং উত্তর মেরু সূর্য থেকে কিছুটা দূরে হেলে থাকায় উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত্রি ও ক্ষুদ্রতম দিন হয়ে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়।

রাতটা দীর্ঘতম হলেও সঙ্গে থাকবে চাঁদ। সারারাতই চাঁদের আলো পৃথিবীকে সঙ্গ দেবে। দীর্ঘ রাত হওয়ায় কুয়াশা গাছের পাতায় ফোঁটা ফোঁটা পানি জমিয়ে ফেলে। গ্রামবাংলায় প্যাঁচার নানা ধরনের ডাকের সঙ্গে পাতাঝরা পানির টুপ টুপ শব্দ মোহময় করে তুলে। দীর্ঘতম রাত অথবা হ্রস্বতম দিনকে এভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে-২১ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে আমরা পাই দীর্ঘতম দিন আর হ্রস্বতম রজনী।

সূর্য এ সময় কর্কটক্রান্তি বৃত্তে অবস্থান করে। ক্রান্তি বৃত্তে সূর্যের এই প্রান্তিক অবস্থান বিন্দুকে বলা হয় উত্তর অয়নায়ন। দক্ষিণ গোলার্ধে এর বিপরীত অবস্থা।

এর পর থেকে দিন ছোট হতে থাকে আর রাত বড় হতে থাকে। অবশেষে ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য আবার অবস্থান নেয় বিষুব বৃত্তের বিন্দুতে, যেখানে ক্রান্তি বৃত্ত ও বিষুব বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ করেছে। একে বলা হয় জলবিষুব বিন্দু। এই দিন পুনরায় পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান হয়ে থাকে। আবার এর পর থেকেই উত্তর গোলার্ধে ক্রমশ রাত বড় হতে হতে সূর্য পৌঁছে যায় ক্রান্তি বৃত্তের দক্ষিণ অয়নায়ন বিন্দুতে। এভাবে ২১ ডিসেম্বর তারিখে উত্তর গোলার্ধে হয় দীর্ঘতম রজনী আর ক্ষুদ্রতম দিবস। এ সময় সূর্য মকর বৃত্তে অবস্থান করে থাকে।

ক্যানসার ও দারিদ্রকে জয় করে আন্তর্জাতিক ম্যারাথনে দ্বিতীয় শ্যামলী

0

বছর দুয়েক আগেই ধরা পড়েছিল স্তন ক্যানসার। তখন কলকাতার মেদিনীপুরের শ্যামলীর বয়স মাত্র ২৬। প্রতিশ্রুতিমান এই অ্যাথলিট ভেঙে পড়েননি। পাশে ছিলেন কোচ ও স্বামী সন্তোষও। হয় অস্ত্রোপচার। কিন্তু তারপরেও চিকিৎসা চালিয়েই যেতে হচ্ছিল। এবং সেই চিকিৎসা যথেষ্ট ব্যয়বহুল।

                                                                                                                                                                             

সেই অর্থ জোগাড়ের জন্যই দৌড়ের ট্র্যাকে ফিরতে হয়েছিল শ্যামলীকে। শরীরে মারণরোগ, অস্ত্রোপচার—সবকিছু উপেক্ষা করেই ২০১৭ সালে মুম্বই ফুল ম্যারাথনে দ্বিতীয় হয়েছিলেন শ্যামলী। প্রথম তিনে শেষ করতে পারলে, তবেই মিলত আর্থিক পুরস্কার। দ্বিতীয় হওয়ায় শ্যামলী পেয়েছিলেন ৪ লক্ষ টাকা। সেই টাকাই সাহায্য করেছিল তাঁর চিকিৎসায়।

কলকাতায় টাটা স্টিল আয়োজিত টিএসকে ২৫ কিমি দৌড়ে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে ফের দ্বিতীয় হয়েছেন শ্যামলী। সময় নিয়েছেন ১ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট ২ সেকেন্ড। রবিবার কলকাতার রেড রোডে ১৫,৪৪৫ জন প্রতিযোগী অংশ নেন এই ম্যারাথনে। হাজির ছিলেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপার হার্নান ক্রেসপো। কলকাতার এই ম্যারাথন আইএএএফ সিলভার লেভেল রোড রেসের স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্বের আর কোনো রোড রেস এই স্বীকৃতি পায়নি এর আগে।

পুরুষ ও মহিলা বিভাগে প্রথম হয়েছেন যথাক্রমে কেনিয়া ও ইথিওপিয়ার লিওনার্ড বারসোটোন ও গুতেনি সন। ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন কিরণজিৎ কাউর। মাত্র ৬ সেকেন্ডের তফাতে দ্বিতীয় হয়েছেন মেদিনীপুরের শ্যামলী। ক্যানসারকে জয় করে ফেলেছেন বাংলার মেয়ে। পরের লক্ষ্য আরো বড়ো। আর রুপো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চান না যে তিনি।

সুত্র: আনন্দবাজার

অক্সফোর্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ

0

ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘আইইউবি এসেনশন ২০১৯’। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ বিতর্কে উন্মুক্ত ক্যাটাগরিতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর কিট মার্সার এবং র‌্যাচেল ও’নুনাইনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ)-এর সাজিদ খন্দকার ও সৌরদিপ পল এর দল।

                                                                                                                                                                             

চতুর্থবারের মতো এ বিতর্কের আয়োজন করল আইইউবি। ২০১৬ সালে এসেনশনের যাত্রা হয় একটি আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা হিসেবে। যা ঠিক পরের বছরই আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে রুপ নেয় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক বিতর্ক উৎসবে।

এ বছর বিতর্ক উৎসবের থিম ছিলো ‘অবিচার’। সারা বিশ্বে চলমান অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে যুক্তিপূর্ণ বাগ্মিতার অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিলো এর প্রধান লক্ষ্য।

প্রতিযোগিতায় হাইস্কুল ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয় একাডেমিয়া স্কুলের মাহাথির ও মানাল এর দল। রানার্স আপ হয় এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড এর অঙ্কিতা দে এবং রিশী ভট্যাচার্জ।

নভিস ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যােলয়ের আইবিএর সৈয়দ শাদাব এবং আয়মানুল ইসলামের দল। আর রানার্স আপ হন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনলজি (আইইউটি)-এর যাহিন রাইদাহ ও তৌকির আযম চৌধুরী।

শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হন, উন্মুক্ত ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যােলয়ের আইবিএর সাজিদ খন্দকার, হাইস্কুল ক্যাটাগরিতে মাস্টারমাইন্ডের ইনকিয়াদ পাটোয়ারী এবং নভিস ক্যাটাগরিতে ভারতের ইগ্নাইট মাইন্ডস এর রোহিত মিধা।

গত ১৪ই ডিসেম্বর বিতর্ক উৎসবের শেষদিন সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মি্উচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের পরিচালক ও আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সাবেক চেয়ারম্যান রাশেদ আহমেদ চৌধুরী, উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মিলান পাগন, রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য লুতফে ম. আইয়ুব, মিসেস সালমা করিম এবং ইএসটিসিডিটি এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ সিরাজুল হক। অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন।